আটক হলো ৬ ডাকাত

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৩:৩৪ PM, ২৬ অগাস্ট ২০২০

 

মেঘনা ও পদ্মা নদীতে দীর্ঘদিন যাবত জনদস্যু ও ডাকাত দলের সদস্য ডাকাতি করে জেলেসহ বিভিন্ন মানুষের মালামাল লুটকরে নিয়ে যাচ্ছে এবং জেলে ও নৌ-পথের যাত্রীদের মারধরের ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে।

পুলিশের কাছে এ সংক্রান্ত অভিযোগ একের পর এক আসতে থাকায় হাইমচর থানা পুলিশ অভিযানে নেমে ৬জন ডাকাতদলের সদস্য আটক করতে সক্ষম হয়েছে।

অভিযোগ উঠে, হাইমচর উপজেলার নৌ-সীমানার মেঘনায় ডাকাত দলের ভয়ে জেলেরা নদীতে নামতে পারছে না। নদীতে প্রতিদিনই ডাকাতরা ডাকাতি করে নিয়ে যায় জেলেদের মোবাইল, জাল, টর্চ লাইট, নগদ টাকা পয়সা ও মূল্যমান মালামাল। হাইমচর উপজেলা নীলকমল নৌ-পুলিশকে এ বিষয়ে বহুবার জানানো হয়। সব শেষ গত মঙ্গলবার লিখিত ভাবে জানালে ওই রাতেই নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আব্দুল জলিলের নেতৃত্বে চরভৈরবী মেঘনা নদীতে অভিযান পরিচালনা করে।

এ সময় ডাকাতি করার প্রস্তুতিকালে পুলিশ নদী থেকে ছয় ডাকাত সদস্যকে ব্যাপক চেস্টা চালিয়ে আটক করতে সক্ষম হয়।

তাদেরকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, বিভিন্ন সময়ে মেঘনা নদীতে তারা ডাকাতি করতো। জেলেদের অভিযোগ, গত ১ মাস তারা নদীতে জেলেদের নৌকায় উঠে মোবাইল, টর্চলাইট, জাল, টাকা পয়সা লুটপাট করে নিয়ে যেত। এছাড়াও জলস্যুদের হামলায় ইতোমধ্যেই বহু জেলে আহত হয়েছে। জলদস্যুদের এই হামলা ও ডাকাতি থেকে পরিত্রাণ পেতে চাঁদপুর জেলা প্রশাসক বরাবর ২৪ আগস্ট স্মারকলিপি দিয়েছে হাইমচরের অসহায় যাত্রী ও সাধারণ জেলেরা। একইসাথে স্মারকলিপির অনুলিপিগুলো চাঁদপুরের পুলিশ সুপার, নৌ-পুলিশ সুপার, কোস্টগার্ডের কমান্ডিং অফিসার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, হাইমচর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, হাইমচর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও হাইমচর উপজেলা কোস্টগার্ড অফিসার বরাবর প্রদান করা হয়।

এ ব্যাপারে নীলকমল নৌ-পুলিশ ইনচার্জ আঃ জলিল জানান, মেঘনা নদীতে জেলেরা যাতে নির্ভয়ে মাছ শিকার করতে পারে সেজন্যে নৌ-পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। নদীতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে এ ডাকাত সদস্যদের আটক করা হয়। আটককৃত ডাকাত সদস্যদের আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :