আর্তঙ্কগ্রস্থ হাওরবাসী

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:২৯ PM, ২৪ জুলাই ২০২০

কিশোরগঞ্জে এবার বর্ষার শুরুতেই সবক’টি নদনদী ও হাওরের পানি বেড়ে যাওয়ায় উজানের চারটি উপজেলাসহ পুরো হাওর এখন পাহাড়ি ঢল, অতিবৃষ্টি ও বানের পানিতে ভাসছে। বানের কারণে কয়েক দিন ধরে হাওরে আকস্মিক নদনদীর পানি বেড়ে গেছে। ফলে পুরো এলাকা এখন পানিতে টইটল্ফু্বর। ইতোমধ্যে হাওরের মিঠামইন, অষ্টগ্রাম, ইটনা ও নিকলীতে বেশকিছু গ্রামে ভাঙন দেখা দিয়েছে। কিন্তু হাওরের মানুষ এই পানিকে ভয় পাচ্ছে না। কারণ, প্রতিবছর পানির সঙ্গে যুদ্ধ আর সখ্য গড়ে তুলেই বেঁচে থাকতে হয় তাদের। কিন্তু এবার তাদের ভয়ের কারণ আফাল (বাতাসের ঢেউ)। কারণ বাতাসের কারণে ভাঙনের তীব্রতা বাড়ে।

ইটনা উপজেলার শিমুলবাগ গ্রামের এবাদ মিয়া ও হযরত আলী এবং মিঠামইন উপজেলার হাতকুবলা গ্রামের হোসেন আলী ও ধন মিয়া জানান, টানা বৃষ্টি ও ঢলের পানিতে হাওর ভাসছে। বাতাস শুরু হলে ভাঙন শুরু হবে। ভাঙনের ভয়ে তারা আতঙ্কিত। কারণ, ইতোমধ্যে হাওরের ঢেউ ও বাতাসের তীব্রতা অন্য বছরের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়, জেলার ত্রাণ অফিস ও অন্যান্য সূত্রে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, কিশোরগঞ্জের হাওর উপজেলা ইটনা, নিকলী, মিঠামইন, অষ্টগ্রামসহ তাড়াইল, করিমগঞ্জ, কুলিয়ারচর ও বাজিতপুরে পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। হাওরে বাতাস শুরু হলে ভাঙন পরিস্থিতি আরও মারাত্মক আকার ধারণ করবে। গত কয়েক দিনে হাওরে সামান্য বাতাসে বেশকিছু বাড়িঘর ও জিনিসপত্রের ক্ষতি হয়েছে।

ইটনা উপজেলা চেয়ারম্যান চৌধুরী কামরুল হাসান জানান, হাওরবাসী বাতাস ও ঢেউয়ের আঘাতকে (স্থানীয় ভাষায় আফাল) ভয় করছেন। আফাল শুরু হলে তাদের রক্ষা নেই, এ ভয়ে তারা শঙ্কিত।

আপনার মতামত লিখুন :