ঈদের আনন্দ থামেনি বন্যা এবং মহামারীতে।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৫:৫৭ PM, ০৫ অগাস্ট ২০২০

 

প্রধানমন্ত্রী দিকনির্দেশনা দিয়েছেন। স্বাস্থ্যবিধি মেনে দূরত্ব বজায় রেখে কোরবানির পশুহাটে বেচাকেনা হয়েছে। পশুহাটে জনসমাগম এড়াতে অনলাইন বেচাকেনার ব্যবস্থা করা হয়। দেশে ১ কোটি ১৮ লাখ ৯৩ হাজার গরু ও ছাগল কোরবানির জন্য প্রস্তত রাখা হয়েছিল।

গতবার এর সংখ্যা ছিল ১ কোটি ৬ লাখ গরু ও ছাগল। এবার তুলনামূলক বেশি হয়েছে।
দেশের চিত্র, শহর ও গ্রামে ছিল ইতিহাসে এই প্রথম ভিন্ন কোরবানি। স্বাস্থ্যবিধি মেনে ব্যক্তিক দূরত্ব বজায় রেখে ঈদগাহের বদলে মসজিদে মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় হয়েছে।

মসজিদের বাইরেও শহরের বড় বড় ফ্লাটে এবং গ্রামের ফাঁকা ময়দানে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ঈদের জামাত হয়েছে। সে এক অভূতপুর্ব ব্যতিক্রম দৃশ্য।

দৈনিক ইনকিলাবের ব্যুরো থেকে পাঠানো চিত্রে উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উল আযহা উদযাপিত হয়েছে। দারুণ মানসিক শক্তি নিয়ে যে যার সাধ্যমতো গরু ও ছাগল কোরবানি দিয়েছেন।

মহামারি  করোনা  ও উজানের পানিতে সৃষ্ট বন্যা কোনরূপ থামাতে পারেনি ঈদ আনন্দ কোরবানি। ধারণা থেকে আশঙ্কা করা হয়েছিল করোনা ও বন্যার কারণে মানুষের মনে শান্তি নেই আর্থিক অবস্থাও ভালো নয় তাই ঈদ আনন্দ কোরবানি তেমন হবে না। কিন্তু বাস্তবে সবকিছু ছাপিয়ে করোনা ভয়কে জয় করে সারাদেশে উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপিত হয়েছে। কোরবানি মোটেও কম হয়নি। কোরবানিকে ঘিরে অর্থনৈতিক লেনদেন বেড়ে যায় বহুমাত্রায়।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. আব্দুল জব্বার শিকদার দৈনিক ইনকিলাবকে জানান করোনা  ও বন্যার কারণে এবারই প্রথম কোরবানির পশুহাট নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে পর্যন্ত মিটিং হয়েছে। এর আগে আন্তঃমন্ত্রণালয়ে মিটিং হতো।

আপনার মতামত লিখুন :