একে একে বেরিয়ে আসছে কুয়েতের আল মাজানের অপকর্ম।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৭:২১ PM, ২৩ জুলাই ২০২০

শহিদের অপকর্মে জড়িত থাকার দায়ে গ্রেপ্তার হওয়া কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এসিসট্যান্ট আন্ডার-সেক্রেটারি মেজর জেনারেল শেখ মাজেন আল জারাহ এখন জেলে। কুয়েতের প্রভাবশালী পত্রিকা আল কাবাস’কে একটি সূত্র বলেছেন, ১০০০ ইরাকি ও শত শত সিরিয়ানকে ভিজিট ভিসা ইস্যু করেছেন শেখ মাজেন।

বাংলাদেশি এমপি মো. শহিদকান্ডে কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে একে একে বেরিয়ে আসছে সাপ। তাতে মিলছে ভয়াবহ সব তথ্য। তিনি শুধু ঘুষ গ্রহণের বিনিময়ে বাংলাদেশি শ্রমিকই কুয়েতে নিতে অনুমোদন দিয়েছেন এমন নয়। তদন্তে দেখা গেছে, তিনি ঘুষ নিয়ে ৫০০০ পাকিস্তানিকে কুয়েতে প্রবেশ করতে অনুমতি দিয়েছেন।

২০১৪ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত শেখ মাজেন বিভাগটি দেখাশোনা করছিলেন। এ সময়ে যেসব নাগরিকত্ব দেয়া হয়েছে এবং পাসপোর্ট ইস্যু করা হয়েছে, তার সব কাগজপত্র বাতিল করেছে কুয়েত। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে, এতে কি পরিমাণ অর্থের লেনদেন হয়েছে। অভিযোগ আছে, হাজার হাজার বাংলাদেশি শ্রমিককে তিনি ওয়ার্ক পারমিট ইস্যু করেছেন।

এর সঙ্গে জড়িত কুয়েতে অবৈধ কর্মকান্ডে জড়িত বাংলাদেশি এমপি মো. শহিদ ইসলাম। শহিদ ইসলামের সঙ্গে তার কি পরিমাণ অর্থের লেনদেন হয়েছে তা নির্ধারণ করতে শেখ মাজেন স্বাক্ষরিত সব কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখছে কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

ইরাকি ও সিরিয়ানদের কুয়েতে প্রবেশ নিষিদ্ধ হলেও তিনি তাদেরকে এই সুযোগ দিয়েছেন। আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে ১০০০ ইরাকিকে ভিসা ইস্যু করেছেন। কুয়েতি মিডিয়াকে উদ্ধৃত করে এ খবর দিয়েছে অনলাইন গালফ নিউজ। ফলে কিভাবে তিনি ৫০০০ পাকিস্তানিকে ঘুষ গ্রহণের পর কুয়েতে প্রবেশের অনুমতি দিয়েছিলেন, কাগজপত্রে স্বাক্ষর করেছিলেন, তা এখন কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশন তদন্ত করে দেখছে।

এ দুটি দেশের মানুষের জন্য কুয়েত প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। তিনি তা উপেক্ষা করে তাদেরকে এই ভিসা ইস্যু করেছেন। বর্তমানে তিনি এবং বাংলাদেশি এমপি শহিদ ইসলাম কুয়েতের কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি।

আপনার মতামত লিখুন :