কক্সবাজারে বৃষ্টির পানিতে বিপর্যস্ত জনজীবন

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৩:৪৯ PM, ১৯ অগাস্ট ২০২০

 

সাদা সোনা খ্যাত চিংড়ি ঘের প্লাবিত হয়ে মাছচাষীদের বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতিগ্রস্ত হতে হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এছাড়া অবিরাম বর্ষণের ফলে পাহাড়ধসে প্রাণহানির আশংকা করে ইতিমধ্যেই উপজেলা প্রশাসন বিভিন্ন দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় বসবাসরতদের নিরাপদে সরে যাওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে।

উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে কথা বলে জানা যায়, টানা ও ভারী বর্ষণে দৈনন্দিন কার্যক্রমে ব্যাঘাত সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের পরিবারগুলোকে পোহাতে হয়েছে নানা রকম দুর্ভোগ।

পালংখালী ইউনিয়নের বিস্তৃর্ণ এলাকা প্লাবিত হওয়ায় চিংড়ি ঘেরগুলো পানির নিচে তলিয়ে গেছে। এতে চিংড়ি ও মাছচাষীদের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

আনজুমান পাড়া গ্রামের চিংড়ি চাষী আলতাজ আহমদ জানান, আনজুমান পাড়া এলাকায় প্রায় এক হাজার একর চিংড়ি খামারে প্রায় ছয় শতাধিক পরিবার মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করে আসছে দীর্ঘদিন থেকে। এ এলাকা থেকে উৎপাদিত চিংড়ি বিদেশে রপ্তানি করে সরকারের রাজস্ব আয়ে অবদান রাখলেও চিংড়ি ঘের রক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।

ওই চিংড়ি চাষী জানান, নাফ নদীসংলগ্ন চিংড়ি ঘেরের বেড়ি বাঁধটি সংস্কার করার জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে বেশ কয়েকবার আবেদন নিবেদন করেও কোন কাজ হয়নি। যে কারণে প্রতি বর্ষা মৌসুমে বাঁধ ভেঙে জোয়ারের পানি ঢুকে চিংড়ি ঘের প্লাবিত হয়ে চাষীদের সংরক্ষিত চিংড়ি ও বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ভেসে যায়।

বালুখালী এলাকার চিংড়ি চাষী নুরুল ইসলাম জানান, অত্র এলাকার চিংড়ি চাষীরা প্রকৃতির সাথে যুদ্ধ করে চিংড়ি উৎপাদন করলেও তারা লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করতে পারে না।

কারণ জানতে চাইলে ওই চিংড়ি চাষী জানান, সামান্য বৃষ্টিতেই নাফ নদীর জোয়ারের পানি ও সীমান্তের পাহাড় থেকে নেমে আসা পানির ঢলে চিংড়ি ঘেরগুলো মুহূর্তেই তলিয়ে যায়।

আপনার মতামত লিখুন :