কুয়াকাটায় ঢেউয়ের তাণ্ডব

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:২০ PM, ২৬ অগাস্ট ২০২০

 

চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে কুয়াকাটায় অবস্থিত সম্প্রীতির নিদর্শন হিসেবে খ্যাত মসজিদ ও মন্দিরটি। এছাড়া বাঁধের বাইরে থাকা পাকা আধাপাকা অনেকগুলো আবাসিক হোটেল, ট্যুরিস্ট পুলিশ বক্স ও জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে সদ্য চালু হওয়া ট্যুরিজম পার্কটি। সমুদ্রের এমন রুদ্র মূর্তি গত ১০ বছরে আর দেখা যায়নি বলে স্থানীয়দের অভিমত।

গত ২-৩ দিনে ২০ থেকে ২৫ ফুট ভূ-ভাগ ভেঙে সমুদ্রের গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। কুয়াকাটা পৌর কর্তৃপক্ষ জিও বস্তা ফেলে পাবলিক টয়লেটটি রক্ষার চেষ্টা করলেও আগামী দু’এক দিনের মধ্যেই পাবলিক টয়লেট ও কিংস হোটেলটি সমুদ্রে গর্ভে চলে যাবার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

গত কয়েক দিনে সাগর প্রচণ্ড উত্তাল থাকায় সৈকতে আছড়ে পড়া ঢেউ তার নাগালে পাওয়া সবকিছু যেন লণ্ডভণ্ড করে দিয়েছে। সৈকতের লাগোয়া আবাসিক হোটেল কিংস এর পাকা ভবনটির একাংশ উত্তাল ঢেউয়ের ঝাপটায় ভেঙে গেছে।

হুমকির মুখে রয়েছে পাবলিক টয়লেট ও ক্ষুদ্র ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো। ঢেউয়ের তাণ্ডবে গাছপালা উপড়ে লাশের মতো পড়ে আছে। ভাসিয়ে নিয়ে গেছে সৈকতের দৃষ্টিনন্দন ছাতা বেঞ্চ ও অস্থায়ী ঝিুনক মার্কেটটিও।

বৈরি আবহাওয়ার প্রভাবে সৈকতে আছড়ে পড়া ঢেউ ক্রমশ কুয়াকাটার মানচিত্র বদলে দিচ্ছে। সৈকতের ব্যাপ্তি একই থাকলেও প্রতিদিনই পরিবর্তন হচ্ছে সৈকতের পুরানো দৃশ্য। এভাবে সাগর গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে নারিকেল ও ঝাউবনে পর্যটকদের জন্য নির্মিত পিকনিক স্পটের অবশিষ্ট অংশ।

গত তিন/চারদিন ধরে চলমান অমাবশ্যার জো কুয়াকাটা সৈকতের দৃশ্যপট পাল্টে দিয়েছে। ফলে স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ৪-৫ ফুট পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় সৈকতে থাকা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের নাভিশ্বাস উঠেছে। একই সাথে ধ্বংস স্তুপে পরিণত হয়েছে বনবিভাগের রিজার্ভ ফরেষ্ট ও কুয়াকাটা জাতীয় উদ্যান।

আপনার মতামত লিখুন :