কোরবানির বাজারে শেষ মুহূর্তে তার মুখে হাসি।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:৫৯ PM, ০৫ অগাস্ট ২০২০

 

পশু ব্যবসায়ীরা ভেবেছিলেন, এবার নগরবাসী অনেক কম পশু কোরবানি করবেন। যে কারণে তারা হাটগুলোতে পশু তুলেছিলেন বিগত বছরের তুলনায় অনেক কম। গাবতলী পশুহাটে যেখানে ৫-৭ লাখ পশু ওঠে, এবার সেই পরিমাণ পশু ওঠেনি। একই অবস্থা ছিল অন্যান্য হাটেও।

আকস্মিকভাবে হাটগুলোতে পশু সংকট দেখে কিছু ফড়িয়া দ্রম্নত হাটগুলোতে পশু জড়ো করার চেষ্টা করেন। ঈদের দিন ও পরেদিন সেগুলো বিক্রি হতে দেখা গেছে। ফলে হাটের শুরু থেকেই এবার পশু বিক্রেতাদের মধ্যে যে হতাশা ভর করেছিল, শেষ দিকে তাদের মুখে কিছুটা হলেও হাসি ফুটেছে।

ঈদুল আজহার আগে রাজধানীর পশুহাটগুলোতে শেষ মুহূর্তে দেখা দিয়েছিল কোরবানির পশু সংকট। দামও উঠেছিল চড়া। যে পশু আগের দিন ১ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে, সেগুলো সোয়া লাখ থেকে দেড় লাখ টাকায়ও বিক্রি হয়েছে ঈদের আগের দিন।

হাটের ইজারাদার, পশু ব্যবসায়ী ও ক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এবার শুরু থেকেই পশুর দাম কম ছিল। করোনাভাইরাসের কারণে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন হাটের সংখ্যা অনেক কমিয়ে দেয়।

যেখানে প্রতি বছর রাজধানীতে ৩০ থেকে ৪০টি পশুহাট বসে, এবার সেখানে মাত্র ১৬টি পশুহাট বসেছিল। এছাড়া ঈদের আগের দিনগুলোতে অবৈধ হাটের সংখ্যাও বেড়ে যায়। হাটগুলোতে জায়গা না পেয়ে অনেকে পশু নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে ঘুরেও বিক্রি করেন।

ফলে রাজধানীর পশুহাটগুলোতে পশু উঠেছিল বিগত বছরগুলোর এক-চতুর্থাংশ। কিন্তু ঈদের দুদিন আগে গত বৃহস্পতিবার দুপুরের পর থেকেই পশুহাটগুলোতে ক্রেতার ঢল নামে। বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের আগেই প্রায় সকল পশু বিক্রি হয়ে যায়।

অনেক জায়গায় দেখা যায় পশুশূন্য। শুক্রবার সকালে হাটগুলোতে পশু কিনতে গিয়ে অবাক হন অনেক ক্রেতা। যে দুয়েকটি পশু ছিল, সেগুলোর দাম হাঁকে অনেক বেশি। চড়াদাম দেখে অনেকেই পশু না কিনে ফিরে যান।

এদিকে হাটে পশু সংকট আঁচ করে অনেক পশু ব্যবসায়ী দেশের বিভিন্ন স্থানের খামারিদের সঙ্গে যোগাযোগ করে হাটে পশু আমদানির উদ্যোগ নেন।

আপনার মতামত লিখুন :