গণপরিবহনে নেই স্বাস্থ্য সচেতনতা

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০১:৩৬ PM, ১৫ অগাস্ট ২০২০

 

বাসে অর্ধেক যাত্রী কম নেয়ার শর্তে ৬০ শতাংশ ভাড়া বাড়ানো হলেও বাসের ড্রাইভার-হেলপাররা এখন তা মানছে না, সব আসন পূর্ণ করে যাত্রী নেয়ার পাশাপাশি দাঁড় করিয়েও নেয়া হচ্ছে সমান সংখ্যক যাত্রী, আবার ভাড়াও নিচ্ছে অতিরিক্ত। এ নিয়ে যাত্রীদের সাথে বাসের স্টাফদের ঝগড়া লেগেই থাকে। কিছু বাসে সিট ফাঁকা রাখা হলেও পুরো গাড়ী জুড়েই দাঁড় করিয়ে যাত্রী নেয়া হচ্ছে। যাত্রী পাশের সিট ফাঁকা রাখার ব্যাপারে সচেতন হলেও উপায় নেই। এসবের তোয়াক্কাই করেন না হেলপাররা। সিট খালি না থাকলেও সারা পথ ডেকে ডেকে যাত্রী তুলে দাঁড় করিয়ে নেয়া হয়। ফলে স্বাস্থ্যবিধি আর থাকছে না। আর এসব দেখারও যেন কেউ নেই।

সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত নগরীর বিমানবন্দর, মহাখালী, মগবাজার, রামপুরা ব্রিজ, মালিবাগ, খিলগাঁও রেলগেট, বাসাবো, সায়েদাবাদ, আরামবাগ, ফকিরাপুল, গুলিস্তান, পল্টন, শাহবাগ, বাংলামোটরসহ বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে— প্রায় প্রতিটি বাসেই সবগুলো আসনে যাত্রী বহন করা হচ্ছে। কয়েকটি বাসে পাসের আসন খালি থাকলেও দাঁড়িয়ে নেয়া হচ্ছে সমান সংখ্যক যাত্রী, ফলে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখা সম্ভব হচ্ছে না।

পরিবহন চালক ও তাদের হেলপাররা বাসে অতিরিক্ত যাত্রী ওঠায় বাধা দিচ্ছেন না, বরং তারাই ডেকে ডেকে যাত্রীদের পরিবহনে ওঠাচ্ছেন। রাজধানীর বিভিন্ন রুটের পরিবহনে এমন দৃশ্য দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, বলাকা, তুরাগ, শতাব্দী, বিহঙ্গ পরিবহন, বাহন পরিবহন, সাভার পরিবহন, শিকড় পরিবহন, বিআরটিসি, ওয়েলকাম পরিবহন, নিউ ভিশন পরিবহনসহ বিভিন্ন পরিবহনে শারীরিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না। পাশের সিট ফাঁকা রাখা হচ্ছে না। কোনো কোনো পরিবহনে এক সিট ফাঁকা রাখা হলেও আবার যাত্রীদের দাঁড়িয়ে থাকতে গেছে।

এছাড়া যাত্রীদের একটা অংশকে মাস্ক ছাড়াই চলাচল করতে দেখা যায়। একইসঙ্গে কিছু বাসের ড্রাইভার এবং হেলপারদেরও মাস্ক ছাড়া দেখা যায়।

আপনার মতামত লিখুন :