গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ আহরণে প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৬১ কোটি ৬ লাখ টাকা।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৭:১৫ PM, ১৯ অগাস্ট ২০২০

 

প্রকল্পের আওতায় দেশে মাছ উৎপাদনের পরিমাণ আরও বাড়াতে কয়েকটি ভ্যাসেল কেনার পরিকল্পনা করছে মৎস্য অধিদপ্তর। এর মাধ্যমে গভীর সমুদ্র থেকে বেশি পরিমাণে টুনা মাছ আহরণ করা যাবে।

চলতি মাস থেকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে। প্রকল্পের আওতায় গভীর সমুদ্র ও আন্তর্জাতিক জলসীমায় টুনা ও সমজাতীয় মাছের প্রাপ্যতা যাচাই ও আহরণে বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করা হবে।

এছাড়া গভীর সমুদ্রে অনাহরিত টুনা ও সমজাতীয় মাছ আহরণের মাধ্যমে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করা এর লক্ষ্য। এ ক্ষেত্রে প্রশিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি তৈরি করা হবে।

গভীর সমুদ্রে টুনা এবং সমজাতীয় পেলাজিক মাছ আহরণ করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এজন্য একটি পাইলট প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে তিনটি লং লাইনার প্রকৃতির ফিশিং ভ্যাসেল কেনা হবে।

মঙ্গলবার শেরেবাংলা নগরস্থ পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি সভায় এই প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই প্রকল্পটিসহ ৩ হাজার ৪৬৮ কোটি ৬৬ লাখ টাকা ব্যয়ে মোট ৭ প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযুক্ত হন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সভা শেষে প্রেস ব্রিফিং করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান।

গভীর সমুদ্রে টুনা ধরতে তিনটি লং লাইনার প্রকৃতির ফিশিং ভ্যাসেল কেনা হবে। এছাড়াও ভ্যাসেল পরিচালনা করতে দেশি-বিদেশি পরামর্শক নিয়োগ করা হবে।

টুনা ও সমজাতীয় পেলাজিক মৎস্য আহরণ, গভীর সমুদ্রে মাছ ধরার কর্মকৌশল ও কর্মপরিকল্পনা তৈরি, ক্রুসহ টুনা আহরণে নিয়োজিত ১০০ জনকে প্রশিক্ষণ এবং ৩৭ জন দেশীয় ও সাতজন আন্তর্জাতিক পরামর্শক নিয়োগ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন :