গারি চোর চক্র।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৩:৪৮ PM, ৩০ জুলাই ২০২০

 

কোন গাড়ি চুরি করবে তা আগেই টার্গেট করে ওরা। এরপর খোঁজ নেয় গাড়ির মালিক এবং গাড়ি সম্পর্কে। কোনো গাড়ির বিষয়ে খোঁজ নিতে গেলে ধরা পড়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকলে ভিন্ন পথ অবলম্বন করে। ঝুঁকিমুক্ত থাকতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য পরিচয়ে খোঁজ-খবর নেয় গাড়ি সম্পর্কে। গাড়িটি চুরির পর মুক্তিপণ দিয়ে মালিক দ্রুত তাদের কাছ থেকে ছাড়িয়ে নিতে পারবে কিনা, সেটিও ভাবনায় রাখে সংঘবদ্ধ ওই গাড়ি চোররা। প্রতিটি গাড়ি চুরিতে একটি মোবাইল ফোন এবং সিমকার্ড একবারই ব্যবহার করে এই চক্র। গাড়ি চুরির পর মোবাইল ফোন ও সিমকার্ড ভেঙে ফেলা হয়।

এ চক্রটি ২০১২ সাল থেকে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় পিকআপভ্যান ও প্রাইভেটকার চুরি করে আসছে। চক্রের বেশ ক’জন সদস্য একাধিকবার পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হয়েছে। কিন্তু পেশা পরিবর্তন করেনি। জামিনে বেরিয়ে ফিরেছে একই পেশায়। রাজধানীর বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে কারও কারও বিরুদ্ধে। পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) গাড়ি চুরির দুটি মামলা তদন্ত করছে। এ মামলায় সম্প্রতি সংঘবদ্ধ চোরচক্রের মূল হোতা মাসুম মোল্লাসহ ১০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর তারা গাড়ি চুরির কৌশলসহ চুরি-সংক্রান্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য দিয়েছে সিআইডিকে। তাদের সঙ্গে আরও কারা জড়িত তাদের নাম-পরিচয়ও দিয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলো- মাসুম মোল্লা, সুমন মিয়া, রুবেল মিয়া, শহিদুল ইসলাম চোকদার, সাকিব হোসেন, কামরুল ইসলাম, রতন, ঝর্ণা বেগম, শাহিন ও নাজমুল হোসেন।

আপনার মতামত লিখুন :