চিনের সাথে সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করার আহ্বান অ্যাপেল ও নাইকি কোম্পানি।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৭:১৮ PM, ২৩ জুলাই ২০২০

নাইকি এবং অন্য বড় ব্রান্ডগুলো বলেছে, তারা অভিযোগ খতিয়ে দেখছে। নাইকি বলেছে, তারা চীনে এমন শ্রম অধিকার লঙ্ঘনের সঙ্গে জড়িত সরবরাহকারীদের শনাক্ত করার জন্য কাজ করছে। তাদের দাবি, তারা সরাসরি সিনজিয়াং থেকে পণ্য সরবরাহ নেয় না। অন্যদিকে অ্যাপল বলেছে, তারাও অভিযোগ তদন্ত করে দেখছে।

রাজনীতিবিদ ও অধিকারকর্মীরা বলছেন, চীন সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করতে এসব কোম্পানিকে আরো অনেক কিছু করতে হবে। এমন চাপ সৃষ্টি করছে ১৮০টিরও বেশি সংগঠন।

তারা আরও বলেছে, অ্যাপলের প্রোডাকশন লাইনে জোরপূর্বক শ্রম ব্যবহারের পক্ষে কোনো তথ্যপ্রমাণ তারা পায় নি। তবে তারা অব্যাহতভাবে এ বিষয়টি নজরদারিতে রেখেছে। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি।

উইঘুর জনগোষ্ঠীকে জোরপূর্বক শ্রমে নিযুক্ত করার কারণে চীনের সরবরাহকারীদের সঙ্গে অ্যাপল ও নাইকি’র মতো জায়ান্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সম্পর্ক ছিন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে। অধিকারকর্মীরা এ বিষয়ে প্রচারণা শুরু করেছেন।

তাতে বলা হচ্ছে, পশ্চিমাঞ্চলীয় সংখ্যালঘু উইঘুর মুসলিমদের ব্যবহার করে চীনের ওইসব কোম্পানি সমৃদ্ধ হচ্ছে এবং সুবিধা ভোগ করছে। এভাবে জোরপূর্বক শ্রম নির্যাতনের বিষয়ে কঠোর সতর্কতার অংশ হিসেবে অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

তার একটি এন্টি-স্লেভারি ইন্টারন্যাশনাল। এর ক্লোই ক্রানস্টোন বলেছেন, বড় বড় এসব ব্রান্ড এবং খুচরা ক্রেতাদের অনেক আগেই চীনকে ছেড়ে যাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তারা তা করেনি। এ জন্যই এখন জনগণের পক্ষ থেকে তাদেরকে এই আহ্বান জানানো হচ্ছে।

এটা এখন গুরুত্বপূর্ণ ও অত্যাবশ্যক হয়ে পড়েছে। এটা শুধু একটি সরবরাহকারীর সঙ্গে সম্পর্কের ইতি ঘটানো নয়। বাস্তবে এটা হলো একটি সমন্বিত উদ্যোগের বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন :