জামালপুরে টানা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা বন্যার দুর্ভোগ।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৬:০১ PM, ২০ অগাস্ট ২০২০

 

ভেঙে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া সড়কগুলো দ্রুত মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হবে, এছাড়াও সড়ক সংস্কারের জন্য ক্ষতি নির্ধারন করে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে এলজিইডি সিনিয়র সহকারী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সায়েদুজ্জামান সাদেক।

এ বছর জামালপুর জেলায় ১৯৪ কিলোমিটার কাঁচা সড়ক এবং ৬৬ কিলোমিটার পাঁকা সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়াও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয় ৪টি বাঁধ এবং ৫টি ব্রীজ-কালভার্ড।

জামালপুরে টানা এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা বন্যার দুর্ভোগের পর স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় ফিরে আসতে শুরু করেছেন বন্যার্তরা। তবে বন্যায় ভেঙে যাওয়া ক্ষত-বিক্ষত সড়কে চলাচল করতে গিয়ে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ।

বন্যায় ভেঙে যাওয়া সড়কে মানুষের সহায়তায় কোন রকমে যানবাহন চলাচল করলেও বেশিরভাগ সময়ই যাত্রী নিয়ে দূর্ঘটনার কবলে পড়তে হয়। বছরের পর বছর এসব ভাঙা সড়কে চলাচল করতে গিয়ে জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে স্থানীয়দের।

এর আগে ২০১৭ সালের ভয়াবহ বন্যায় জামালপুরের সাত উপজেলায় বসতবাড়ি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ ব্যাপক ক্ষতি হয় আঞ্চলিক সড়কগুলোর। সে সময় বন্যার পানি নেমে গেলেও পরবর্তীতে ভাঙা রাস্তাঘাট মেরামত না করায় প্রতি বছরের বন্যায় সড়কগুলো আরো ভেঙে এখন বড় বড় খানাখন্দে পরিনত হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন :