ডেঙ্গু মশার এখন আমাদের আড়ালে।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৬:৪৮ PM, ০৭ অগাস্ট ২০২০

 

ডেঙ্গুর প্রকোপের অন্যতম প্রধান সময় মে-জুন অতিবাহিত হওয়ায় ভাবনা কিছুটা কম। গত বছর সরকারি হিসাবে ডেঙ্গু জ্বর নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিল লক্ষাধিক মানুষ এবং মৃত্যুবরণ করেছিল ২৪৮ জন।

গত বছরে ডেঙ্গু ছড়িয়েছে সারা দেশে। অন্যদিকে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ২৮ জুলাই পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৩৪১ জন। এই সময়ে ছাড়প্রাপ্ত পাওয়া রোগীর সংখ্যা ৩৩৭ জন। এ পর্যন্ত ডেঙ্গু রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃতু্য হওয়ারও কোনো তথ্য নেই সংশ্লিষ্ট দপ্তরে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ডেঙ্গু প্রতিরোধ করতে হলে এডিস মশাকে নিধন করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। এ ক্ষেত্রে গত বছর ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের পাশাপাশি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদাসীনতা, দায়িত্বহীনতা ও ব্যর্থতার কারণে ডেঙ্গু মহামারি আকার ধারণ করেছিল।

কিন্তু চলতি বছরে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও কার্যকর ওষুধ ছিটিয়ে এডিস মশার ডিম ধ্বংস করার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা নিয়েছে বলে দাবি আছে। যার ফলে এখনো ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পায়নি।

গত বছরের ভয়াবহ আকার ধারণ করা মহামারি ডেঙ্গু এবার এখনো আড়ালেই রয়েছে। ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হওয়ার মাস মে-জুন ভয়াবহতা ছাড়াই অতিক্রান্ত হলেও ঝুঁকি এখনো শেষ হয়নি। আগস্ট ও সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুর হানার বিষয়টি উড়িয়ে দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা।

গত বছরের ডেঙ্গু পরিস্থিতি বিশ্লেষণ ও বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, করোনাভাইরাস মোকাবিলায় সারা জাতি যখন যুদ্ধে লিপ্ত, তখন মরণব্যাধি ‘ডেঙ্গু’ নিয়েও দুশ্চিন্তা রয়েছে। ১৯৯৬ সালে ডেঙ্গুর প্রকোপ শুরু হওয়ার পর ২০১৯ সালে ডেঙ্গু রোগে আক্রান্তের ও মৃতু্যর সংখ্যা সর্বোচ্চ। ২০১৮ সালের তুলনায় প্রায় ১০ গুণ।

আপনার মতামত লিখুন :