তিন লাখ মানুষ ঘরছাড়া হলেন বিস্ফোরণে।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:৪৩ PM, ০৭ অগাস্ট ২০২০

 

ছয় বছর আগে একটি কার্গো জাহাজ থেকে জব্দ করা অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট এতদিন বন্দরের গুদামে পড়ে ছিল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন কর্মকর্তারা। সার বানানোর অন্যতম প্রধান উপকরণ অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট বিস্ফোরক হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।

বুধবারও বৈরুত বন্দরের একাংশ থেকে ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে। শহরটির অসংখ্য বাসিন্দা নিখোঁজ স্বজনদের সন্ধানে প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। অন্তত ১৩৭ জনের প্রাণ কেড়ে নেওয়া বিস্ফোরণে আহতের সংখ্যাও প্রায় ৫ হাজার। রাজধানীর হাসপাতালগুলোতে দেখা যাচ্ছে আহতদের উপচে পড়া ভিড়।

মঙ্গলবার বিস্ফোরণের পর যে কমলা রংয়ের ধোঁয়ার মেঘ বৈরুতজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছিল, সেটি নাইট্রেটের বিস্ফোরণের কারণে হয়েছে বলে মত বিশ্লেষকদের। বিস্ফোরণের কারণে বাতাসে বিষাক্ত নাইট্রোজেন অক্সাইড ছড়িয়ে পড়েছিল বলেও ধারণা তাদের। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, মঙ্গলবারের মতো ভয়াবহ বিস্ফোরণ লেবানন এর আগে দেখেনি।

লেবাননের সরকার জানিয়েছে, মঙ্গলবারের বিস্ফোরণ নিয়ে চলমান তদন্তের মধ্যেই বৈরুত বন্দরের দায়িত্বে থাকা বেশকিছু কর্মকর্তাকে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে।

ওই বিস্ফোরণে বৈরুত শহরের অর্ধেক অংশই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও অনেকে আটকে থাকায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা মারওয়ানের।

মঙ্গলবার বিকেলের ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনায় হতাহতের পাশাপাশি লেবাননের রাজধানী বৈরুতকে তছনছ করে দিয়েছে। এতে প্রায় তিন লাখ মানুষ গৃহহীন হয়েছেন বলে জানিয়েছেন শহরটির গভর্নর মারওয়ান আবুদ।

আপনার মতামত লিখুন :