নদী ভাঙ্গনের কারণে মানুষের দুশ্চিন্তা দিন দিন বেড়েই চলছে।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৩:০৬ PM, ২১ অগাস্ট ২০২০

 

প্রতিবছর নদীভাঙনের কারণে লাখ লাখ লোক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষেতের ফসল, ফসলি জমি ও বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বাংলাদেশের মোট প্লাবনভ‚মির প্রায় ৫ শতাংশ প্রত্যক্ষভাবে নদীভাঙনের শিকার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, দেশের ৪৮৯টি উপজেলার মধ্যে প্রায় ৯৪টি উপজেলায় নদীভাঙন ঘটছে। কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ এর সঙ্গে আরও ৫৬টি উপজেলার সন্ধান পেয়েছেন যেখানে নদীভাঙনের ঘটনা ঘটেছে।

দেশের ৩৩ জেলার চলমান বন্যার পানি নামতে না নামতেই আবারও পানি বাড়ছে। এতে বন্যার্তরা চেখেমুখে অন্ধকার দেখছেন। সরকারের পক্ষ থেকে যাবতীয় সহায়তার আশ্বাস দেওয়া হলেও তারা এতে আশ্বস্ত হতে পারছেন না।

বর্তমানে প্রায় ১০০টি উপজেলায় নদীভাঙন ও বন্যার দুর্ভোগ প্রায় নিয়মিত ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ৩৫টি উপজেলা সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত।
ভুক্তভোগীদের অভিযোগ ভাঙনরোধে নেয়া হচ্ছে না যথাযথ পদক্ষেপ।

আবারও বন্যার কবলে পড়ছে দেশ। চলতি মাসের শেষে আসতে পারে সেই বন্যা। বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এমন আভাস দিয়েছে। এতে করে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষের মনে নতুন করে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।

বন্যার পানি বাড়লেই তীব্র হয় নদীভাঙন। এরই মধ্যে পদ্মার ভাঙন ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে। যমুনা, তিস্তা ধলেশ্বরীসহ আরও অনেক নদী ভাঙছে। নদীভাঙনের ফলে ভিটেমাটি হারিয়ে অনেকে এখন সর্বহারা। তাদের পুনর্বাসনে সরকারের এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেই।

এ ছাড়া নদীভাঙন রোধেও কোনো কোনো স্থানে বালিভর্তি জিওব্যাগ ফেলা ছাড়া আর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না। তাই চতুর্থ দফা বন্যার কথা শুনে নদী তীরের মানুষের দুশ্চিন্তায় চোখের ঘুম চলে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন :