নারীদের যুদ্ধে পাঠায় না ইসরাইল।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৩:৩২ PM, ৩১ অগাস্ট ২০২০

 

সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে অনেক কিছু। ইসরায়েলি নারীবাদীরা, যারা কেবল অধিকারের জন্য নয়, দায়বদ্ধতার জন্যও লড়াই করে যাচ্ছেন, তারা অনেক বার ইসরায়েল ডিফেন্স ফোর্সেসের আইডিএফ বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। পুরুষ রা দায়িত্ব পালন করতে পারেন এমন পদে নিয়োগ এবং সামরিক অভিযানে অংশ নেওয়ার দাবিতে তারা নানা কার্যক্রমও চালিয়ে যান।

সেনাবাহিনীতে নারীদের ভূমিকা বিদেশি মিডিয়া এবং ইসরায়েলের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম; উভয়েই অত্যন্ত অতিরঞ্জিত করে প্রকাশ পায়। এই জাতীয় আলোচনাগুলো লিঙ্গ সমতা দেখানো জন্য বেশি ব্যবহৃত হয়।

তখন জর্ডান ও মিশরের সঙ্গে সীমান্তে শান্তিপূর্ণ সহঅবস্থান রয়েছে বলে জানানো হয় ইসরায়েলের পক্ষ থেকে। বলা হয়, তারা ইচ্ছাকৃতভাবে যুদ্ধে নামবে না এবং নিম্ন মানের প্রশিক্ষণ রয়েছে তাদের। কারাকাল ইউনিটের সৈন্যদের সঙ্গে কম অস্ত্র রাখার অনুমতি দেওয়া হয়।

ইসরায়েল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে বাধ্যতামূলকভাবে সৈন্যদলে নিয়োগ দেওয়া হতো নারীদের। প্রথম আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের সময় নারীরা সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছিলেন যুদ্ধে। এরপর এই সুযোগ কেড়ে নেওয়া হয়। তাদেরকে শুধু প্রযুক্তিগত ও প্রশাসনিক পদে নিয়োগ দেওয়া শুরু করে ইসরায়েলি সরকার।

ইসরায়েলি নারীরা অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতেন দেশটির সেনাবাহিনীতে নিয়োগ পাওয়ার পর। তারা ক্যাডার হতে পারতেন, রান্নার কাজ করতে পারতেন, সামরিক বাহিনীর উচ্চপর্যায়ে কাজ করতে পারতেন, গোয়েন্দা নজরদারি চালাতে পারতেন ।

সৈন্যদের পড়াশোনা ও শারীরিক প্রশিক্ষণের জন্য দায়িত্বশীল হতে পারতেন, অস্ত্র পরিচালনার প্রশিক্ষক হতে পারতেন, যোগাযোগ ব্যবস্থায় কাজ করতে পারতেন এবং তারা নিরাপত্তা ক্যামেরাগুলো পর্যবেক্ষণ করতে পারতেন।

ফলস্বরূপ নারীদের ট্যাঙ্কক্রু হিসেবে এবং বিমান চালক হিসাবে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হয়েছিল। এ ছাড়াও বিশেষ পদাতিক ইউনিট যেমন কারাকাল ও লায়ন্স অব দ্য জর্ডান ভ্যালি তৈরি করা হয়েছিল। ওই ইউনিটগুলোতে সৈন্যদের এক তৃতীয়াংশই পুরুষ এবং বাকি সবাই নারীরা থাকতেন।

আপনার মতামত লিখুন :