নিজেদের স্বার্থেই সড়ক পরিবহন আইন বাস্তবায়ন করে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনুন।’

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০২:৪৭ PM, ৩০ জুলাই ২০২০

সড়ক ও সেতু উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রী অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বরাদ্দ দিলেও এবং দেশের অবকাঠামোর ব্যাপক উন্নয়ন হলেও সড়কে এখনও শৃঙ্খলা ফিরে আসেনি।

গতকাল বুধবার সরকারি বাসভবন থেকে চট্টগ্রামের সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরে চট্টগ্রাম সড়ক জোন, বিআরটিসি, বিআরটিএ ও কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের অগ্রগতি ও ঈদ প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত সভায় ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে ওবায়দুল কাদের এই আহ্বান জানান। এ সময় তিনি সড়ক নির্মাণকাজের গুণগত মান নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

চট্টগ্রাম ও পার্বত্য এলাকায় পাহাড়ি ঢলের আশঙ্কা থাকায় আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়ায় নির্দেশ দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, শেখ হাসিনার সরকার বন্যাদুর্গত মানুষের পাশে আছে। সরকারের পাশাপাশি আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরাও মানবিক সহায়তা নিয়ে তাদের পাশে আছে। সড়কের সঙ্গে সংশ্নিষ্ট সবাইকে ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে এবং মানুষকে স্বস্তি দিতে অবিরাম বৃষ্টির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক তাৎক্ষণিক মেরামত করারও নির্দেশনা দেন তিনি।

সড়ক পরিবহন মন্ত্রী বলেন, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক চার লেনে উন্নতিকল্পে ইতোমধ্যে জাইকার অর্থায়নের নীতিগত অনুমোদন পাওয়া গেছে। চট্টগ্রামে মেট্রোরেল স্থাপনের কার্যক্রমও শুরু হয়েছে। সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি অর্থায়নের বিষয়ে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় ইআরডির মাধ্যমে চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। সরকার কক্সবাজার থেকে ইনানী পর্যন্ত মেরিন ড্রাইভ ৩২ ফুট সড়কে প্রশস্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ প্রকল্পের প্রস্তুতি দ্রুত শেষ করতে সংশ্নিষ্টদের প্রতি নির্দেশ দেন তিনি।

সেতুমন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনা সরকারের এক অনন্য উদ্যোগ কর্ণফুলী টানেল। এ টানেল সম্প্রসারণের পাশাপাশি বদলে দেবে বন্দরনগরীর উন্নয়ন চিত্র। এই টানেলের দুটি টিউবের একটির খনন কাজ প্রায় ৯০ ভাগ শেষ হয়েছে।

তিনি বলেন, বিআরটিসি দেশের পতাকাবাহী গণপরিবহন। শেখ হাসিনার সরকার এর সক্ষমতা বাড়ানোর চেষ্টা করেছে। দুর্নীতি থেকে বেরিয়ে না এলে এ প্রতিষ্ঠান টেকানো কঠিন হবে। তাই অনিয়ম বন্ধ করতে হবে।

বিআরটিএকে সতর্ক করে দিয়ে কাদের বলেন, সর্ষের মধ্যে ভূত অবশ্যই তাড়াতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন :