পাপুলের চক্রের খোঁজ মিলেছে।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:১৬ PM, ২৪ জুলাই ২০২০

কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বহিষ্কৃত এসিস্ট্যান্ট আন্ডার-সেক্রেটারি মেজর জেনারেল শেখ মাজান আল জারাহকে মূল অভিযুক্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। পাপুলকাণ্ডে তিনি বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছেন। চাকরিচ্যুতির পর তাকে আটক করা হয়। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পাপুলের সঙ্গে তাকে জেলহাজতে পাঠিয়েছেন আদালত।

দিন যত যাচ্ছে পাপুল এবং তার সহযোগী মানবপাচারকারী চক্রের অপকর্মের খতিয়ান দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। ওই চক্রের অনৈতিক সহায়তায় ৫ হাজার পাকিস্তানি নাগরিক যার বেশিরভাগই স্পাউস ভিসায় কুয়েতে প্রবেশ করেছে। অনেকে বৈধতাও পেয়েছে।

কুয়েতি তদন্তকারী সংস্থার সদস্যদের চোখ ছানাবড়া হওয়ার দশা। মানবপাচার, মানি লন্ডারিং আর ভিসা জালিয়াতির দায়ে আটক বাংলাদেশি সংসদ সদস্য কাজি পাপুলচক্রের পরিধি ছিল করাচি থেকে বাগদাদ অবধি। কুয়েতের আরবি দৈনিক আল কাবাস এ নিয়ে অর্ধপৃষ্ঠা জুড়ে লিড রিপোর্ট ছেপেছে।

তারা চক্রকে মোটা অঙ্কের অর্থ দিয়েছে ঘুষ হিসাবে। তাদের অনৈতিক লেনদেনের আলামত এখন তদন্ত সংস্থার হাতে। আল কাবাসের সিকিউরিটি এডিটরের লেখা রিপোর্টটিতে স্পষ্ট করেই ওই লেনদেনে বাংলাদেশি এমপি পাপুলের সম্পৃক্ততার কথা উল্লেখ করা হয়। বলা হয়, বাংলাদেশি এমপির সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্যানুন্ধানে এটি সামনে আসে।

ফ্যামিলি বা ভিজিট ভিসায় ওই পাকিস্তানিরা কুয়েতে ঢুকেছে যখন পাকিস্তান, ইরানসহ কিছু দেশের নাগরিকদের কুয়েতে প্রবেশে কড়াকড়ি বা নিষেধাজ্ঞা ছিল। ঘুষের বিনিময়ে বিপুলসংখ্যক পাকিস্তানির প্রবেশ এবং বৈধতা আজ প্রশ্নবিদ্ধ উল্লেখ করে আল-কাবাসের রিপোর্টে বলা হয়, কীভাবে তারা বৈধতা পেলেন সেটি খুঁজতে গিয়ে অবাক হয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তারা।

আপনার মতামত লিখুন :