পুলিশ-সাধারণ জনতার সংঘর্ষ

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৩:০৯ PM, ১২ অগাস্ট ২০২০

 

সংঘর্ষে এখন পর্যন্ত তিনজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন কমপক্ষে ৬০ জন পুলিশ সদস্য। এ ঘটনায় দেশটিতে এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে ১১০ জনকে।

সংঘর্ষের সূত্রপাত কংগ্রেস বিধায়ক শ্রীনিবাস মূর্তির ভাগ্নের একটি পোস্ট ঘিরে। গতকাল মঙ্গলবার শ্রীনিবাসের ভাগ্নে ফেসবুকে ‘বিতর্কিত’ একটি পোস্ট করেন। এরপরই পরিস্থিতি উত্তেজিত হয়ে পড়ে জনতা। বিধায়কের বাসভবনের সামনে বিক্ষোভ শুরু হয়। বাড়ি লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকে বিক্ষুব্ধরা। ২-৩টি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর হামলাকারীরা ডিজে হাল্লি থানায় গিয়েও ভাঙচুর চালায়।

সংঘর্ষ থামাতে গেলে অতিরিক্ত কমিশনারসহ ৬০ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছে এবং পুলিশের গুলিতে ৩ জন মারা গিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

কর্ণাটকের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাসবরাজ বোমাই বলেন, ‘ঘটনার তদন্ত করা হবে। হিংসা ও ভাঙচুর বরদাস্ত করা হবে না। যারা এসব করেছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

আপনার মতামত লিখুন :