পুড়ে গেছে দগ্ধদের শ্বাসনালী

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:২৬ PM, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২০

 

মসজিদে একসঙ্গে ছয়টি এসির এসি বিস্ফোরণে দগ্ধদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। দগ্ধদের সবার শ্বাসনালী পুড়ে গেছে বলেও জানান তারা।

গতকাল শুক্রবার রাতে ঘটা দুর্ঘটনায় দগ্ধ অর্ধ-শতাধিক মুসল্লির মধ্যে ৩৭ জনকে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে। অনেকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা নিচ্ছেন।

শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা.সামন্ত লাল বলেন, ‘আহতদের মধ্যে প্রায় সবার অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।’

আর বার্ন ইনস্টিটিউটের সহকারী পরিচালক ডা. হোসেন ইমাম বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি যথাযথ চিকিৎসা দেওয়ার। জুয়েল নামের একটি শিশু খুবই ক্রিটিক্যাল সিচুয়েশনে আছে। বাকি রোগীদের প্রায় সবারই ৩০ শতাংশের বেশি পুড়ে গেছে। তাদের সবারই মুখ ও শ্বাসনালী পুড়ে গেছে।’

জুয়েল নামের ওই শিশু গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে বারোটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের প্রধান সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক বাচ্চু মিয়া।

উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে আটটার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের খানপুর তল্লা এলাকার বায়তুস সালাত জামে মসজিদে এশার নামাজের সময় এসি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অর্ধ-শতাধিক মুসল্লি আহত হন। দুর্ঘটনায় মসজিদটির ইমাম আবদুল মালেক (৬০) এবং মুয়াজ্জিন দেলোয়ার হোসেনও (৫০) আহত হয়েছেন।

মসজিদে এসি বিস্ফোরণের খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের পাঁচটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ বিষয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স নারায়ণগঞ্জ অফিসের উপ-সহকারী পরিচালক আবদুল্লাহ আরেফিন বলেন, ‘মসজিদের মেঝের নিচ দিয়ে গ্যাসের লাইন গেছে। পানি দেওয়ার সময় বুদ বুদ করে গ্যাস বের হচ্ছিল। বিস্ফোরণে অনেক মানুষ দগ্ধ হয়েছেন। তাদের স্থানীয় হাসপাতাল ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।’

আপনার মতামত লিখুন :