বন্দুক যুদ্ধে নিহত জলিল

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৩:৪০ PM, ১০ অগাস্ট ২০২০

 

গত বৃহস্পতিবার ওসি প্রদীপ চট্টগ্রাম থেকে আটক হওয়ার খবরটি টেকনাফের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে চলমান মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশ সদস্যদের কাছে হয়রানির শিকার হওয়া ভুক্তভোগীরা টেকনাফ থানার সামনে এসে ভিড় জমিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

সেই সূত্র ধরে শুক্রবার দেখা হয় ৭ জুলাই মাদকবিরোধী অভিযানে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হোয়াইক্যং ইউনিয়ন ৯ নম্বর ওয়ার্ড পশ্চিম মহেশখালিয়াপাড়া এলাকার মৃত আলী আহাম্মদের ছেলে আবদুল জলিল প্রকাশ গুরা পুতুইক্কার স্ত্রী দুই অবুঝ সন্তানের জননী ছেনুয়ারা (২৬) এবং নিহতের বড় ভাই আবদুর রশিদের সঙ্গে। ছেনুয়ারা ক্ষোভের সুরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, তার স্বামী কখন আটক হয়েছে, আটক হওয়ার পর তার সঙ্গে কী হয়েছে এবং তার নিরপরাধ স্বামী কেন বন্দুকযুদ্ধে মারা গেল! কেঁদে কেঁদে সেসব তথ্য বলতে শুরু করেন। তিনি বলেন, তার স্বামী সিএনজি অটোরিকশাচালক। স্বল্প আয় নিয়ে তাদের সংসার চলত। এর মধ্যে সংসারের আয় বাড়াতে বিদেশ যাওয়ার প্রক্রিয়াটিও শেষ করেছিল। কিন্তু তার স্বামী বিদেশ যেতে পারেনি।

ছেনুয়ারা জানান,” বিগত ২০১৯ সালের ৩ ডিসেম্বর কক্সবাজার আদালতপাড়া থেকে সাদা পোশাকধারী কয়েকজন লোক তার স্বামীকে আটক করে কোথায় নিয়ে গেছে জানা নেই। সেই খবরটি পাওয়ার পর কক্সবাজার-টেকনাফের সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন দপ্তরের দরজায় কড়া নাড়তে থাকি। কিন্তু আমার স্বামীর সন্ধান কেউ দেয়নি”।

আপনার মতামত লিখুন :