বন্যা কমলেও খাদ্যসংকটে কুড়িগ্রামের বানভাসিরা।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৭:২৫ PM, ০৬ অগাস্ট ২০২০

বিভিন্ন উঁচু স্থানে ও রাস্তায় আশ্রিতরা বাড়িতে ফিরতে শুরু করেছে। তবে খাদ্য সংকট নিয়ে বিপাকে রয়েছে জেলার ৫৬টি ইউনিয়নের সাড়ে ৩লাখ বানভাসি মানুষ।সূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রাম থেকে ৮ কিলোমিটার দুরে কুড়িগ্রাম সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়ন। ইউনিয়নটি ব্রহ্মপুত্র নদ দ্বারা বিচ্ছিন্ন। ইউনিয়নটি ৩২ হাজার লোকের বসবাস।বৃহস্পতিবার (৬আগস্ট)সকালে ব্রহ্মপুত্রের পানি চিলমারী পয়েন্টে ৩৫সেন্টিমিটার, ধরলার পানি কুড়িগ্রাম ব্রীজ পয়েন্টে ৫৩ সেন্টিমিটার এবং তিস্তার পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ৬২ সেন্টিমিটার বিপদসীমার নীচ দিয়ে বইছে।

এরমধ্যে চরযাত্রাপুর, নয়ারচর, অষ্টআশিরচর, ঝুনকারচর,রলাকাটা, ভগবতীপুর, কালিরআলগা, পোড়ারচর, শিবেরপাচি,খাসেরচর এবং চর পাব্বর্তীপুর এই ১১টি চর বন্যায় মাসাধিকাল বন্যার পানিতে ডুবে যায়।কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, তিস্তা, ধরলা, দুধকুমারসহ ১৬টি নদনদীর পানি কমতে শুরু করায় সবক’টি নদীর পানি বিপদসীমার নীচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। ফলে কুড়িগ্রামে বন্যা পরিস্থিতি উন্নতি হয়েছে।এসব চরাঞ্চলে ২০ হাজার মানুষ বন্যায় আক্রান্ত হয়। এছাড়াও ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে কুড়িগ্রাম সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের চর যাত্রাপুর, পোরার চর ও গারুহারা এলাকার ১৫০ পরিবার গৃহহীন হয়েছে।

যাত্রাপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, আইয়ুব আলী সরকার জানান, বন্যায় প্রথম দফায় ৩০০ বন্যার্তদের প্রতিজনকে ১০ কেজি করে চাল এবং দ্বিতীয় দফায় ৩৫০জন বন্যার্তদের প্রতিজনকে ১০ কেজি করে চাল,১কেজি ডাল,আধা কেজি চিনি,১কেজি লবন বিতরণ করা হয়েছে।এছাড়াও ৫হাজার ৩৮৪জন হতদরিদ্রদের মাঝে ঈদের আগে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে।তবে এই আপদকালিন সময়ে মানুষের মাঝে খাদ্য সহায়তা বাড়ানো দরকার বলে তিনি মনে করেন।

আপনার মতামত লিখুন :