বিপাকে পড়েছেন খামারের মালিকরা।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৫:২২ PM, ৩১ জুলাই ২০২০

খামারের মালিকরা জানান, এমন পরিস্থিতিতে লাভ তো দূরে থাক, গরু বিক্রি করে আসল তুলতে পারবেন কি-না তা নিয়ে শঙ্কায় রয়েছেন। তারা আরো বলেন, বন্যার পানিতে খড়ের পালা পচে গেছে। কৃত্রিম গো-খাদ্য দিয়ে গরু পালন অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

করোনাভাইরাসের নেতিবাচক প্রভাব ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে কোরবানির পশু নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন চলনবিল খামার মালিকরা। লাভের আশায় পশুগুলোকে লালন-পালন করে শেষ পর্যন্ত ক্রেতাসংকট ও সঠিক দাম না পেয়ে লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের।

বেশিরভাগ খামারের শেডের মধ্যে বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে। খামারিরা পশুগুলো বিক্রি করতে না পেরে বসতবাড়ির উঁচু ভিটায় ও নিকটস্থ সড়কের উপর বেঁধে রেখেছেন। বারুহাস ইউনিয়নের কাজিপুর গ্রামের আবুল কালাম নামে এক খামারি জানান, তিনি এ বছর ৩০টি গরু মোটাতাজা করেছেন।

বেশ কয়েকটি হাট ঘুরে ক্রেতাসংকট ও সঠিক দাম না পেয়ে বুধবার মাত্র দু’টি গরু বিক্রি করতে পেরেছেন। তাও লোকসান গুনে। ৮-১০ দিন আগেও তার খামারের যেসব গরুর ৭০-৭৫ হাজার টাকা দাম হতো। অথচ এখন ক্রেতারা সেই সব গরু ১৫-২০ হাজার টাকা কমে কিনতে চাইছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, তাড়াশের আট ইউনিয়নে ছোট-বড় মিলিয়ে ৫০০ পশুর খামার রয়েছে। এ বছর কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে এসব খামারিরা দেশীয় ও ক্রস প্রজাতির প্রায় ২৩ হাজারের মতো পশু মোটাতাজা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন :