বিশ্ব মানব পাচার প্রতিরোধ দিবস আজ

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০১:৪৪ PM, ৩০ জুলাই ২০২০

অনুমোদনে বিদেশ গিয়েও প্রতারিত হচ্ছেন বাংলাদেশি কর্মীরা। কর্মসংস্থানের সুযোগ নেই, তবুও টাকা হাতাতে কর্মী পাঠাচ্ছে রিক্রুটিং এজেন্সি। বৈদেশিক কর্মসংস্থানের ‘স্বার্থে’ তাতে ছাড়পত্র (স্মার্টকার্ড) দিচ্ছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি)। কর্মী বিদেশে গিয়ে প্রতিশ্রুত চাকরি না পেলে নির্যাতিত রিক্রুটিং এজেন্সির কখনও কখনও শাস্তি হলেও কর্মী পাঠানোর অনুমোদন দেওয়ার দায় নেয় না বিএমইটি, দূতাবাস কিংবা মন্ত্রণালয়।

সম্প্রতি ভিয়েতনাম থেকে যেসব কর্মী ফিরেছেন, তাদের ক্ষেত্রেও এ ঘটনা ঘটেছে। চলতি মাসের শুরুতে দেশে ফেরা ১১ কর্মীর ৯ জনের বৈধ স্মার্টকার্ড রয়েছে। তারা সরকারি সব নিয়ম-কানুন মেনে, ফি দিয়ে দেশটিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু চাকরি না পেয়ে নির্যাতিত হয়ে দেশে ফিরেছেন। গত মে মাসে লিবিয়া হয়ে সাগরপথে ইউরোপ পাড়ি জমানোর সময় জিম্মিকারী দালালের গুলিতে ২৬ জন নিহত হন। গত মাসে মেসোডোনিয়ায় উদ্ধার হয় ৬৩ বাংলাদেশি। যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টায় মেক্সিকোতে ধরা পড়ে জেলে আছে সাড়ে তিনশ’ বাংলাদেশি। ব্রাজিলসহ বিভিন্ন দেশের বনে-জঙ্গলে বহু বাংলাদেশির প্রাণ গেছে উন্নত দেশে পাড়ি দেওয়ার আশায়। ইউরোপের স্বপ্নে ভূমধ্যসাগরে ডুবে মরেছেন বহু বাংলাদেশি।

তাদের সবাই অবৈধভাবে বিদেশ যেতে গিয়ে বিপদে পড়েছেন। তাদের কারও বিদেশে চাকরি করতে যাওয়ার বৈধ ছাড়পত্র ছিল না। এসব ঘটনাকে মানবপাচার বলা হচ্ছে। কিন্তু আড়ালে থেকে যাচ্ছে চাকরির প্রলোভনে বৈধভাবে বিদেশ পাঠিয়ে প্রতারিত করার ঘটনাগুলো।

আপনার মতামত লিখুন :