ভিয়েতনামে বাংলাদেশীদের পাচার ।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১১:২৫ AM, ২২ জুলাই ২০২০

সম্প্রতি ভিয়েতনামে মানবপাচারের বিষয়টি আলোচনায় আসতে শুরু করেছে। এই পাচারের সঙ্গে বাংলাদেশের ১১টি রিক্রুটিং এজেন্সি জড়িত।
ভিয়েতনামের ৩৭ প্রতিষ্ঠানে কাজ দেবে বলে জনশক্তি রফতানি ব্যুরোর কাছ থেকে অনুমোদন নিয়েছিল। ৯ প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত : জনশক্তি রফতানি ব্যুরো ছাড়পত্র নেওয়া ৯ প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করেছে সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, এসব প্রতিষ্ঠানের ছাড়পত্র বাতিল করা হয়েছে।

চিহ্নিত ৯টি প্রতিষ্ঠান হলোÑ এম/এস ঝর্ণা ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল (আরএল-১৭২৬), এম/এস মাম অ্যান্ড মাম ওভারসিস (আরএল-১২১৭), এম/এস মুন এয়ার ইন্টারন্যাশনাল (আরএল-৫৯৩), ইজতেমা ইন্টারন্যাশনাল রিক্রুটিং এজেন্সি (আরএল-১২৫১), এম/এস আফিফ ইন্টারন্যাশনাল (আরএল-১৭২১), এম/এস এসকে গ্লোবাল ওভারসিস (আরএল-১৪৪৭), এম/এস রেজওয়ান ওভারসিস (আরএল-১৩৬০) ও হলি ওভারসিস লি. (আরএল-৭৫০)।

এছাড়া, ব্র্যাকের অভিবাসন বিভাগ ও দৈনিক সময়ের আলোর অনুসন্ধানে উঠে এসেছে ভয়ঙ্কর তথ্য। পাচারের শিকার ৯৭ ব্যক্তির জবানবন্দিতে উঠে এসেছে সংশ্লিষ্টদের নাম, ঠিকানা ও যেখানে পাচারের কাহিনি। তাদের তথ্য মতে, এই ৯৭ জনের মধ্যে দেশে ফিরেছেন ১৪ বাংলাদেশি। ভিয়েতনামের গুনতাও, হোমেনসিটির আনিয়ুন বিংজুং ও হ্যানোয় এলাকায় এখনও অনেক পাচারের শিকার অবস্থান করছেন। সেখানে পাঠানোর জন্য দালাল দেশের ৩৩টি জেলা থেকে এসব লোকজনকে সংগ্রহ করেছিল।
সক্রিয় ১০ দালাল চক্র : ব্র্যাকের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে, ভিয়েতনামের শ্রমবাজার নিয়ন্ত্রণকারী ১০ বাংলাদেশি দালালের নাম। তারা হলোÑ সিন্ডিকেটের প্রধান মোস্তফা, ভিয়েতনামে অবস্থানকারী আতিকুর রহমান আতিক, ঢাকায় থাকা সাইফুল ইসলাম, জাব্বার, মিলন, আকরাম, নাসির, মাসুদ, ইফতেখার ও রায়হান। দালাল মোস্তফা, জাব্বার, আতিক ও সাইফুল ভিয়েতনামের নাগরিককে বিয়ে করে তাদের স্ত্রীদের মাধ্যমে সেখান থেকে ভিসা নিয়ে ভিসা কেনাবেচার ব্যবসা করে বলে ভুক্তভোগীরা জানান।

পাচারে শিকার হওয়া এসব মানুষ বিন্দুমাত্র বুঝতে পারেনি তাদের বিপদের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে । তারা সরল মনে দালালদের বিশ্বাসের উপরে খপ্পরে পড়েছে । এ নিয়ে ভিয়েতনামে উচ্চ বেতন ও ভালো চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে গত এক বছরে শতাধিক মানুষকে পাচার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :