ভিসা জালিয়াতির অভিযোগে চীনের তিন নাগরিককে গ্রেপ্তার করছে যুক্তরাষ্ট্র।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৪:০৮ PM, ২৪ জুলাই ২০২০

বৃহস্পতিবার গ্রেপ্তারের ঘোষণা দেয়ার আগে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন যুক্তরাষ্ট্রের অভিযোগকে নির্ভেজাল মিথ্যা বলে আখ্যায়িত করেন। বলেন, চীন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে এবং বৈধ অধিকার প্রয়োগ করবে। 

চীনের সেনাবাহিনীর সদস্য হওয়া সত্ত্বেও তারা তা গোপন করে যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। গ্রেপ্তার প্রক্রিয়া চলছে তাদের বিরুদ্ধে। চতুর্থ আরেকজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রক্রিয়া চলছে। এরা হলেন ওয়াং সিন, সং চেন, ঝাও কাইকাই ও তাং জুয়ান।

প্রসিকিউটররা বলেছেন, চীন পরিকল্পনা করে যুক্তরাষ্ট্রে তার সেনাবাহিনীর গবেষক পাঠিয়েছে। এমন একজন তথ্য উদঘাটনের পরই আশ্রয় নিয়েছেন সান ফ্রান্সিসকোর কনস্যুলেটে। এসব তথ্য প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের আইন মন্ত্রণালয়ের এটর্নি জন সি ডেমারস।

তিনি এক বিবৃতিতে বলেছেন, আমাদের উন্মুক্ত সমাজ ব্যবস্থার সুযোগ নিয়েছে চাইনিজ কমিউনিস্ট পার্টি। তারা আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভুলভাবে ব্যবহার করেছে। চীনের একজন বিজ্ঞানী, যিনি চীনের পিএলএ’র একজন সদস্য, তিনি সান ফ্রান্সিসকোর কনস্যুলেটে আশ্রয় নেয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র গ্রেপ্তারের ঘোষণা দিয়েছে।

অভিযুক্ত চতুর্থ ব্যক্তি সান ফ্রান্সিসকোতে চীনের কনস্যুলেটের ভিতর অবস্থান করছেন। এ খবর দিয়েছে অনলাইন বিবিসি। এতে আরো বলা হয়েছে, চীনের সেনাবাহিনীর সঙ্গে সম্পর্ক থাকার অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে ২৫ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন এফবিআইয়ের এজেন্টরা মার্কিন প্রসিকিউটরদের অভিযোগ, চীনের সেনাবাহিনী পিপলস লিবারেশন আর্মির ((পিএলএ) সদস্য হওয়া সত্ত্বেও এসব ব্যক্তি সেই পরিচয় গোপন করে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন বিভিন্ন দায়িত্বে। এর মধ্য দিয়ে চীন যুক্তরাষ্ট্রে তাদেরকে গোয়েন্দা হিসেবে ব্যবহার করছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ওই কনস্যুলেট বন্ধ করার নির্দেশ দেয়ার পরের দিন তিনি সেখানে গিয়ে আশ্রয় নেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ছদ্মবেশ ধারণ করে যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি’ চুরিতে জড়িত।

আপনার মতামত লিখুন :