ভুক্তভোগী ছাত্রী ও মারধরের শিকার মিলন মিয়া।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৬:৪৮ PM, ০৬ অগাস্ট ২০২০

 

ইভটিজিং সহ্য করতে না পেরে বিষপানে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছে দশম শ্রেণির এক ছাত্রী (১৫)। এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় ছাত্রীর বাড়িঘর ভাংচুরসহ একজনকে গুরুত্বর আহত করার অভিযোগও উঠেছে।
গত সোমবার সকালে নারিকেলবাড়ি তেলিপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বর্তমানে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই ছাত্রী ও প্রতিবাদকারী হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে গতকাল মঙ্গলবার ৯ জনের নামে ও অজ্ঞাত ৭/৮ জনের বিরুদ্ধে উলিপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

মামলার এজাহার থেকে জানা গেছে, পৌরসভার নারিকেলবাড়ি তেলিপাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে প্রতিবেশি জেয়াদুল হকের ছেলে ফরিদ (২১) ও আকবর আলীর ছেলে সেনা মিয়াসহ (২০) আরও কয়েকজন মিলে রাস্তাঘাটে উত্ত্যক্ত করতো। তাকে বিভিন্ন ধরনে কু-প্রস্তাবও দিয়ে আসছিল। দীর্ঘদিন সহ্য করার পর বিষয়টি ওই ছাত্রী তার বাবা-মাকে জানায়। এ কথা ফরিদ ও সেনা মিয়ার বাবাদের জানিয়ে প্রতিকার চান ভুক্তভোগীর বাবা।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ফরিদ ও সেনা মিয়া তাদের বন্ধু মামুন, খোকন, আঙ্গুর বিপুল, শাহীন, মুকুট ও মনছুরসহ আরও কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে ভুক্তভোগীর বাড়িতে হামলা চালিয়ে বাড়ি-ঘর ভাংচুরসহ তার বাবাকে মারধর করে। এ ঘটনা দেখে ভুক্তভোগী রাগে-ক্ষোভে সোমবার দুপুরে বিষপান করে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। প্রথমে ওই কিশোরীকে উলিপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি ঘটলে কুড়িগ্রাম সদর হাসপালে পাঠানো হয়। বর্তমানে কুড়িগ্রাম হাসপাতালে সে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।

আপনার মতামত লিখুন :