ভূরুঙ্গামারীতে নদী ভাঙ্গনের শিকার হয়েছে দুটি গ্রাম।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৫:২৯ PM, ০৭ অগাস্ট ২০২০

 

কয়েকদিনের অব্যাহত খরায় চরাঞ্চলের আবাদি জমিসহ দ্বীপচরগুলো জেগে উঠেছে। যদিও খাল, বিল, নালা, ডোবা, পুকুর, জলাশয়গুলো পানিতে টইটুম্বুর হয়ে আছে। নিমজ্জিত হওয়া পাট, ভুট্টা, কাউন, চিনা, বাদাম, মরিচ, পটল, ঝিংগাসহ নানা রকম সবজির ক্ষেত, বীজতলা ও বেশ কিছু এলাকার আউশ ধানের ক্ষেত জেগে উঠলেও ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক।

পানি কমে যাওয়ায় দুধকুমার ও কালজানী নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। লোকজন বাধ্য হয়ে ঘরবাড়ি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছে।

দুধকুমার নদী ভাঙনের ফলে বিলীনের পথে পাইকেরছরা ইউনিয়নের পাইকডাঙ্গা ও ইসলামপুর গ্রাম দুটি। হুমকির মুখে পরেছে পাইকডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও আব্দুল করিম ১৫’শ নামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়টি।

বদলে যাচ্ছে এলাকার মানচিত্র। আতঙ্কিত হয়ে পরেছে ভাঙনকবলিত এলাকার মানুষ। বসতভিটা, বাঁশঝার, গাছবাগান ও আবাদী জমি চলে যাচ্ছে নদীগর্ভে। বসতভিটা হারিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছুটোছুটি করছে মানুষ।

দুধকুমার, ফুলকুমার, কালজানী, সংকোশ, গঙ্গাধরসহ সবকটি নদ-নদীর পানি কমতে শুরু করেছে ফলে প্লাবিত হওয়া নিম্নাঞ্চলগুলো জাগতে শুরু করেছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়া শাক-সবজিসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। কিন্তু নদ নদীগুলোর পানি কমে যাওয়ায় দুধকুমার ও কালজানী নদীর ভাঙনের তান্ডবে দিশেহারা হয়ে পড়েছে নদী তীরবর্তী বাসিন্দারা।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে দুধকুমার নদীর ভাঙনে বিলীনের পথে উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকডাঙ্গা ও চরভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রাম। ভাঙনের শিকার হয়েছে ঐ গ্রামের ৩ টি মসজিদসহ কয়েকশ হেক্টর আবাদি জমি ও শতাধিক বসতবাড়ি। ভাঙনের তীব্রতায় হুমকির মুখে পরেছে দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

উপজেলার সবকটি নদ-নদীর পানি বৃদ্ধির ফলে সদর ইউনিয়নের নলেয়া, কামাত আঙ্গারিয়া, চরভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের ইসলামপুর, পাইকেরছড়া ইউনিয়নের গছিডাঙ্গা, পাইকডাঙ্গা, সোনাহাট ব্রীজের পশ্চিম, উত্তর ও দক্ষিনপাড়, বলদিয়া ইউনিয়নের হেলডাঙ্গা, আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের ধাউরারকুঠি, তিলাই ও শিলখুড়ি ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার লোকালয়ে যে পানি ঢুকে পড়েছিলো তা নামতে শুরু করেছে।

আপনার মতামত লিখুন :