মেঘনা নদীর জোয়ারের উপকূলীয় ৩৫ গ্রাম প্লাবিত।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৭:১৪ PM, ০৬ অগাস্ট ২০২০

 

বেড়ি বাঁধ না থাকায় বুধবার (৫ আগস্ট) বিকেলে পূর্ণিমার প্রভাবে অস্বাভাবিক জোয়ারে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মেঘনা নদীর জোয়ারের পানি স্বাভাবিকের ছেয়ে ৪ থেকে ৬ ফুট বেড়ে যায়।

এসময় তীব্র বাতাস ও স্রোতে নদীর পানি হুড় হুড় করে ঢুকে পড়ে, মুহূর্তেই বিস্তীর্ণ জনপদ যেনো ‘সাগরে’ রূপ নেয়। এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে রামগতি ও কমলনগর উপকূলের লক্ষাধিক মানুষ।

গবাদি পশু ও হাঁস-মুরগির খামার পানিতে ডুবে গেছে, মারা গেছে ৫ হাজার মুরগি। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে উপকূলীয় কাঁচা-পাকা রাস্তা, ঘরবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও চলতি মৌসুমের ধানসহ বিভিন্ন ফসলের।

মেঘনা নদীর অস্বাভাবিক জোয়ারে লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগরের উপকূলীয় ৩৫ গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ফলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত ৪০ হাজার মানুষ।শতাধিক মাছের ঘের ও পুকুর পানিতে তলিয়ে গেছে।

এছাড়াও শত শত বসতঘরে পানি ঢুকে ক্ষতি হয়েছে আসবাবপত্র ও বিভিন্ন মালামাল। বছর পর বছর মেঘনা নদীর অব্যাহত ভাঙনে মাইলের পর মাইল বেড়িবাঁধ বিলীন হয়ে গেছে। নদীর তীরে ফের বাঁধ নির্মাণ না করায় অরক্ষিত হয়ে পড়ে রামগতি ও কমলনগর উপজেলা।

অস্বাভাবিক জোয়ারে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো হলো কমলনগর উপজেলার চর কালকিনি, মতিরহাট, চর সামচ্ছুদ্দিন, সাহেবেরহাট, চর মার্টিন, মুন্সিরহাট, চৌধুরী বাজার এলাকা, কাদিরপন্ডিতেরহাট এলাকা, চর মার্টিন, চর লরেন্স, নাছিরগঞ্জ, নোয়াহাট, চর ফলকন, মাতাব্বরহাট এলাকা, পাটারিরহাট।

আপনার মতামত লিখুন :