শিপ্রা ফিরে আসলেন মামলা করতে গিয়ে।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৫:০৫ PM, ১৯ অগাস্ট ২০২০

 

গতকাল মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে সাহেদুল ইসলাম সিফাত ও আইনজীবী মাহবুবুল আলম টিপুকে সঙ্গে নিয়ে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় যান শিপ্রা দেবনাথ।

এ সময় কক্সবাজার সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ খায়রুজ্জামান ঘটনাস্থল রামু থানা ও বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলার পরামর্শ দিয়েছেন।

পরে থানা থেকে বের হয়ে শিপ্রার আইনজীবী মাহাবুবুল আলম টিপু গণমাধ্যমকর্মীদের বলেন, মেজর সিনহার সহযোগী শিপ্রা দেবনাথকে পুলিশ আটক করার পরে ল্যাপটপ, হার্ডডিস্ক, পেনড্রাইভসহ বিভিন্ন ডিভাইস নিয়ে যায় পুলিশ।

এগুলো থেকে শিপ্রা দেবনাথের ব্যক্তিগত ছবি, ভিডিও আপত্তিকরভাবে এডিট করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ ইউটিউবে প্রকাশ করেছে।

তিনি আরও বলেন, ব্যক্তি চরিত্র হনন করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার করায় শিপ্রা দেবনাথের মান ক্ষুণ্ন হয়েছে। তাই শিপ্রা দেবনাথ ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কক্সবাজার সদর মডেল থানায় মামলা করতে আসেন।

তবে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ খায়রুজ্জামান ঘটনাস্থল হিমছড়ি হওয়ায় রামু থানা ও বিশেষ ট্রাইব্যুনালে মামলার পরামর্শ দিয়েছেন।

ছবি বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচারের অভিযোগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করতে গেলেও অবসারপ্রাপ্ত মেজর সিনহার সহযোগী শিপ্রা দেবনাথের সেই মামলা আমলে নেয়নি কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ।

ফেসবুকে শিপ্রার ব্যক্তিগত ছবি পোস্টকারী দুই পুলিশ কর্মকর্তাসহ অজ্ঞাত প্রায় দেড়শ’ জনের বিরুদ্ধে মামলা করতে থানায় গিয়েছিলেন শিপ্রা।

আইনজীবী মাহাবুবুল আলম টিপু জানান, চিহ্নিত ফেসবুক আইডি পিবিআই পুলিশ ঢাকা রেঞ্জের পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান ও সাতক্ষীরা জেলার পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান সহ প্রায় ১৫০ জনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করবেন শিপ্রা। থানা মামলা না নিলেও আদালতের আশ্রয় নেওয়া হবে।

আপনার মতামত লিখুন :