সিসিটিভি ফুটেজ বিষয়টি রহস্যজনক।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০২:৫৪ PM, ২১ অগাস্ট ২০২০

 

টেকনাফের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি থানার ফুটেজ এভাবে হাওয়া হয়ে যাওয়া রহস্যেজনক বলেই মনে করা হচ্ছে। মেজর (অব.) সিনহা হত্যার মামলা তদন্তকারী সংস্থা র‌্যাব। তারা বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করছেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ঘটনার রাতে টেকনাফ থানার সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাসের গতিবিধির তথ্য তদন্তে গুরুত্ব পাচ্ছে। ওসি প্রদীপ ঘটনাস্থলের আশপাশে ছিলেন নাকি থানা থেকে বেরিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছেন এই প্রশ্নের উত্তর তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।

সিনহা হত্যা মামলার ৭আসামীকে রিমান্ড শেষে গতকাল কারাগারে প্রেরণ করেছে আদালত। এদের প্রত্যককে ৭ দিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার ২০ আগস্ট টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আনা হলে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ্ তাদের কারাগারে প্রেরণের আদেশ দেন। এরা গত ১৪ আগস্ট থেকে র‌্যাবের হেফাজতে রিমান্ডে ছিলো।

এদিকে ৩১ জুলাই রাত এবং আগে-পরের টেকনাফ থানার সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব হয়ে যাওয়ার বিষয়টি রহস্যের সৃষ্টি করেছে তদন্তকারীদের কাছে। আসন্ন বিপদ বুঝতে পেরে ৩১ জুলাইয়ের আগে পরের মোট ১১ দিনের টেকনাফ থানার সব সিসিটিভি ফুটেজ গায়েব করে আগেই কি বাঁচার পথ করে রেখেছিলেন ওসি প্রদীপ! প্রশ্ন উঠেছে কে গায়েব করল এগুলো থানা থেকে।

কেন গায়েব করা হল সিসিটিভি ফুটেজ? কি ছিল সেখানে? তা হলে থানায় বসেই কি সিনহা হত্যার পরিকল্পনা করা হয়েছিল? এমন প্রশ্ন এখন ঘুরপাক খাচ্ছে সর্বত্র।

এ কারণে বিপদ আঁচ করতে পেরে প্রদীপ কুমার দাস হয়ত থানার ফুটেজ নষ্ট করে ফেলতে পারেন বলে ধারণা তদন্তকারীদের। গুরুত্বপূর্ণ ওই রাতসহ থানার ১১ দিনের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ কোথায় গেল এ সম্পর্কে আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানা গেছে।

আপনার মতামত লিখুন :