সীমান্তে শান্তি এবং স্থিতাবস্থা ফেরানোর লক্ষ্যে প্রায় দুঘণ্টা ধরে চলে বৈঠক।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৫:০৮ PM, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২০

 

১৯৯৩ এবং ১৯৯৬ সালের চুক্তি অনুযায়ী এতো বড় চীনা সেনাবাহিনীর উপস্থিতি থাকার কথা নয় এবং সেটাই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় গোলমাল বাঁধিয়েছে। এই বাহিনী মোতায়েনের পক্ষো কোনও সুযোগ্য ব্যাখ্যা দিতে পারেনি চীন।

ভারত চীনকে স্পষ্ট ভাষায় বলেছে, ভবিষ্যতে কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে প্রতিটি গন্ডগোলের স্থান থেকে সেনা সরাতে হবে। কারণ দুটি দেশের স্বার্থেই বর্তমান পরিস্থিতির আশু সমাধান দরকার।

সীমান্তে শান্তি এবং স্থিতাবস্থা ফেরানোর লক্ষ্যে প্রায় দুঘণ্টা ধরে চলা ওই বৈঠকে পাঁচ দফা পরিকল্পনায় সম্মত হয় দুদেশ। সূত্রের খবর, জয়শঙ্কর ওয়াংকে বলেছেন, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর বিভিন্ন ঘটনায় চীনা সেনাবাহিনীর উস্কানিমূলক আচরণ দ্বিপাক্ষিক সমঝোতা এবং রীতির প্রতি অসম্মানই প্রকট করেছে।

ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের তরফে চীনের উদ্দেশ্যে বার্তায় বলা হয়, ‘ভারতীয় সেনাবাহিনী সর্বদা সবরকম নিয়মকানুন এবং চুক্তি মেনেছে। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখায় চীনের সেনাবাহিনী পিএলএ সশস্ত্র উপস্থিতি যে দিল্লির চিন্তা বাড়াচ্ছে তা রাশিয়ায় পরিষ্কার করে দিলেন বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর।

স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার দুপুরে মস্কোয় রুশ বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে ত্রিপাক্ষিক বৈঠকের পর সন্ধ্যায় চীনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই–র সঙ্গে পৃথকভাবে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা সারেন জয়শঙ্কর। গত মে মাসে ভারত–চীন চাপানউতোর শুরু হওয়ার পর এই প্রথম মুখোমুখি হলেন দুদেশের বিদেশমন্ত্রীরা।

আপনার মতামত লিখুন :