স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর স্বামী পলাতক।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ১১:৪১ AM, ৩০ জুলাই ২০২০

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া হতো। প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার রাতে তাদের ভাড়া বাসায় স্বামী-স্ত্রী ঘুমিয়ে পড়েন। ওই রাতের কোনো এক সময় ঘুমন্ত অবস্থায় স্ত্রী ঝর্ণাকে গলা কেটে হত্যা করেন স্বামী জাহাঙ্গীর। পরে ঘরের দরজা বইরে থেকে বন্ধ করে তিনি পালিয়ে যান।

সকালে তাদের কেউ ঘুম থেকে না ওঠায় পাশের বাড়ির লোকজন ঘর বন্ধ দেখে ডাকতে যান। সেখানে গিয়ে তারা দেখেন ঘরের ভেতরে গলা কাটা ঝর্নার লাশ পড়ে রয়েছে। কিন্তু স্বামী জাহাঙ্গীরকে পাওয়া যায়নি। খবর পেয়ে গতকাল বুধবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

রাতে এলাকাবাসী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, টাঙ্গাইলের গোপালপুর থানার চানপুর এলাকার আবদুল খালেকের ছেলে জাহাঙ্গীর মিয়ার সঙ্গে ঝর্ণার বিয়ে হয়। বিয়ের পর স্বামী জাহাঙ্গীর মিয়া স্ত্রীকে নিয়ে জীবিকার খোঁজে গাজীপুরের
কালিয়াকৈরে আসেন।

পরে তারা উপজেলার মৌচাক মোল্লাবাড়ী এলাকার হাজী সাইদুর রহমানের বাড়িতে বসবাস শুরু করেন। সেখানে ভাড়া থেকে ঝর্ণা বেগম স্থানীয় কোকাকোলা ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড নামে একটি কারখানায় কাজ শুরু করেন। কিন্তু স্বামী জাহাঙ্গীর মিয়া বেকার দিন যাপন করেন।

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঘুমন্ত স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যার পর স্বামী পালিয়ে গেছে। গতাকাল বুধবার সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার মৌচাক এলাকায়। তিনি টাঙ্গাইল জেলার গোপালপুর থানার চানপুর এলাকার জাহাঙ্গীর মিয়ার স্ত্রী ঝর্ণা বেগম ফুলি (২৮)। তিনি কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকার কোকাকোলা ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড কারখানায় কাজ করতেন।

আপনার মতামত লিখুন :