হতে পারে পিইসি বাতিলের সিদ্ধান্ত

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০১:২৭ PM, ১৯ অগাস্ট ২০২০

 

২০২০ সালের প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা না নিয়ে স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে ছাত্রছাত্রীদের মূল্যায়ন করে ষষ্ঠ শ্রেণিতে উন্নীতকরণের কার্যক্রম গ্রহণ করা যেতে পারে বলে সুপারিশ করা হয়।

মঙ্গলবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব স্বাক্ষরিত এই সিদ্ধান্তের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। এটি বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর টেবিলে রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই সারসংক্ষেপে বলা হয়, “ প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ২০০৯ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা চালু করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১০ সাল থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার সাথে ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু হয়। সেই থেকে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। বছরের শুরুতে পাঠ পরিকল্পনা অনুযায়ী ৫ম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য ১ জানুয়ারি – ১৭ নভেম্বর পর্যন্ত ১৩১ কর্মদিবস নির্ধারণ করা হয়। ১৬ মার্চ ২০২০ তারিখ পর্যন্ত বিষয়ভিত্তিক ৩০-৩৫ % পাঠদান করা সম্ভব হয়েছে।”

“করোনা ভাইরসাস সংক্রমণজনিত কারণে প্রাথমিক বিদ্যালয়সমূহে স্বাভাবিক পাঠদান ১৮ মার্চ থেকে বন্ধ আছে। এ ছুটির মেয়াদ ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছে। এতে মোট ৭১ কার্যদিবস বিদ্যালয়সমূহ বন্ধ থাকবে এবং ৫ম শ্রেণির ৪০৬ টি স্বাভাবিক পাঠদান সম্ভব হবে না। তবে সংসদ বাংলাদেশ টেলিভিশনে চলমান ‘ঘরে বসে শিখি’ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রয়েছে। কিন্তু সব শিক্ষার্থীর বাসায় টেলিভিশন না থাকায় এবং টেলিভিশন থাকলেও অধিকাংশ অভিভাবকের বাসায় ক্যাবল সংযোগ না থাকায় সব শিক্ষার্থীকে এ প্রোগ্রামের আওতায় আনা সম্ভব হয়নি। মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে পরিচালিত জরিপ অনুযায়ী, পঞ্চম শ্রেণির প্রায় ৫৬ ভাগ শিক্ষার্থী এ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেছে কিংবা অংশগ্রহণের সুযোগ ছিলো। সে বিবেচনায় ১২ আগস্ট থেকে বাংলাদেশ বেতারে বিকেল ৪ টা ৫ মিনিট থেকে ৪ টা ৫৫ মিনিট পর্যন্ত ৫০ মিনিটের জন্য ঘরে বসে শিখি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। যা ৫ম শ্রেণির প্রায় ৯৭.৬ % শিক্ষার্থীর নিকট মোবাইল এবং রেডিওর মাধ্যমে পৌঁছাতে সক্ষম হবে। এছাড়া মোবাইল ফোনের মাধ্যমে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭৬% শিক্ষার্থী / অভিভাবকদের সাথে কোভিড ১৯ সময়ে তাদের লেখাপড়া এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনা চলার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের শিক্ষকগণ কথা বলেছেন।”

আপনার মতামত লিখুন :