হাটে নেই পশু

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০২:০০ PM, ২৩ জুলাই ২০২০

ঈদের দিন যতই এগিয়ে আসে, ভিড়ও বাড়তে থাকত ক্রেতা-দর্শনার্থীদের। এবারের প্রেক্ষাপট বিগত বছরগুলোর তুলনায় পুরোটাই ভিন্ন। আর এ চিত্র কেবল গাবতলী স্থায়ী পশুর হাটের ক্ষেত্রেই নয়, রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে আরও যে ১৬টি পশুর হাট বসার অনুমতি দিয়েছে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন, সেগুলোর চিত্র আরও খারাপ। কোথাও এখনও গরু রাখার খোঁয়াড়ই তৈরি করা হয়নি। কিছু কিছু হাটে বাঁশ-কাঠ নিয়ে জড়ো করা হয়েছে। যারা হাটগুলোর ইজারা নিয়েছেন তারাও অনেকটা সংশয়ে আছেন। পশু আমদানি হবে কি-না। হলেও বিক্রি হবে কি-না। সেই বেচাবিক্রি দিয়ে ইজারার অর্থ তুলতে পারবেন কি-না। কারণ করোনাভাইরাসের কারণে এবার নিম্ন ও মধ্য আয়ের একটি বড় অংশ পশু কোরবানি থেকে বিরত থাকতে পারে। দিলেও যিনি একাই একটা পশু কোরবানি দিতেন, তিনি হয়তো অংশীজন খুঁজবেন। বিত্তশালীরাও হয়তো কোরবানির পশুর সংখ্যা কমিয়ে দিতে পারেন। হাটের ইজারাদার, ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলেও এমন চিত্র পাওয়া গেছে। গাবতলী পশুর হাটের ম্যানেজার আবুল হাশেম বলেন, ঈদের মাত্র আট-নয় দিন বাকি। অন্য বছরগুলোতে এই সময়ে হাটে যে পশু জমা হতো, এবার তার ১০ ভাগ পশু আছে কি-না সন্দেহ। ১৫-২০ দিন আগে থেকেই লোকজন কোরবানির পশু কেনা শুরু করতেন। প্রতিদিন একশ’-দুশ’ গরু-ছাগল বিক্রি হয়ে যেত। এবার পশুও নেই। ক্রেতাও নেই। দর্শনার্থীও নেই। গতকাল বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত কেবল চারটি খাসি বিক্রি হয়েছে।

সরেজমিন দেখা যায়, নিয়মিত পশু রাখার যে খাঁচাগুলো আগে থেকেই আছে, সেই খাঁচারও অনেকগুলো ফাঁকা। ক্রেতা-দর্শনার্থীও নেই। অথচ এ সময়ে হাটে বিভিন্ন ধরনের বাহারি পশু উপচে পড়ত। হাট ডিঙিয়ে বেড়িবাঁধেও খাঁচা তৈরি করত হাট কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন :