২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার আসামিরা আজও অনেকে নিখোঁজ।

Samia RahmanSamia Rahman
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৩:২৫ PM, ২১ অগাস্ট ২০২০

 

ভয়াবহ সেই হামলায় আওয়ামী লীগ প্রধান, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ও তৎকালীন বিরোধী দলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাসহ প্রায় তিন শতাধিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ উচ্চমাত্রার বিস্ফোরণ শব্দের প্রবাহে এবং নিক্ষিপ্ত গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের আঘাতে আহত হন।

আর এই হামলায় আওয়ামী লীগের শীর্ষস্থানীয় নারী নেত্রী, বাংলাদেশের ১৯তম রাষ্ট্রপতি প্রয়াত আআওয়ামী লীগ নেতা জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪জন নিহত হন।

বর্বরোচিত এ ঘটনার মূলহোতা, সম্প্রতি পাকিস্তানে সেনা গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই-এর শীর্ষ এজেন্ট তালিকায় থাকা তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার পুত্র লন্ডনে পলাতক তারেক জিয়া, চারদলীয় জোট সরকারের সাবেক উপমন্ত্রী ও বিএনপি নেতা আব্দুস সালাম পিন্টু, হরকাতুল জিহাদ প্রধান মুফতি হান্নান ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ ৫২ জনকে আসামি করে পরবর্তীত মামলা দায়ের করা হয়। এদের মধ্যে অন্য মামলায় মুফতি হান্নানসহ তিনজনের মৃত্যুদণ্ড হওয়ায়, তিনজন ছাড়াই বিচারিক কার্যক্রম পরিচালিত হয়।

তৎকালীন বিএনপি-জামাত জোট সরকারের সময় ২০০৪ সালের সারাদেশে জঙ্গিদের বোমা হামলা এবং গোপালগঞ্জে পুলিশি নির্যাতনের প্রতিবাদে ২১ আগস্ট বিকেলে ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ ঢাকার বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ের আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ের সামনে এক সমাবেশের আয়োজন করে।

ওই সমাবেশের প্রধান অতিথি শেখ হাসিনা অনুষ্ঠানস্থলে বিকেল পাঁচটায় পৌঁছালে, একটি ট্রাকের ওপর তৈরি মঞ্চে তিনি কুড়ি মিনিটের বক্তৃতা শেষে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করার ঘোষণা দেন।

বঙ্গবন্ধু কন্যা মঞ্চ থেকে নিচে নেমে আসতে থাকেন। ঠিক এমন সময় শুরু হয় মঞ্চ লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলা। মাত্র দেড় মিনিটের মধ্যে বিস্ফোরিত হয় ১১টি শক্তিশালী গ্রেনেড। এতে ঘটনাস্থলেই ১২ জন এবং পরে হাসপাতালে আরও ১২ জন নিহত হন।

আপনার মতামত লিখুন :